ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ। গ্যালারিজুড়ে লাল জার্সির সমুদ্র, আর ‘ক্যা-না-ডা! ক্যা-না-ডা!’ ধ্বনিতে মুখরিত দর্শকসারি। যদিও মাঠে উপস্থিত কানাডিয়ান দর্শকদের জন্য শুরুটা সুখকর ছিল না। তবে বদলি হিসেবে নেমে সাইল লারিনের করা গোলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।
গত রাতে নিযেদের মাঠে উপস্থিত ৪৩ হাজার ২ জন দর্শকের সামনে এই ড্র দিয়েও ইতিহাস গড়েছে কানাডা। নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম পয়েন্ট পেল দলটি।
এর আগে ১৯৮৬ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মোট ৬ ম্যাচ খেলে সবগুলোতেই হেরেছিল কানাডা। কিন্তু এবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেইবসনিয়াকে আটকে পয়েন্টের মুখ দেখলো কানাডা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে কানাডা-বসনিয়া। বল পজিশনে এগিয়ে থাকলেও গোল হজম করতে হয় কানাডাকে। ম্যাচের ২১ মিনিটে স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করেন বসনিয়ার ফরোয়ার্ড জোভো লুকিচ। কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেড করে জালে জড়ান তিনি।
এরপর গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে কানাডা। কিছু সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ঝড় তোলে কানাডা। ৫৪তম মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর পাস থেকে রিচি লারিয়ার শট প্রায় গোল হয়েই যাচ্ছিল। কিন্তু কোলাশিনাচের পায়ে লেগে বল ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে আসে।
অবশেষে ৭৮তম মিনিটে আসে কানাডার কাঙ্ক্ষিত গোল। বদলি হিসেবে মাঠে নামার মাত্র দুই মিনিট পর প্রমিস ডেভিডের পাস ধরে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন সাইল লারিন। তার এই গোলেই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো হার এড়ানোর স্বাদ পায় কানাডা।












